গত ০৪ জানুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখে ৩০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন উপলক্ষে সংস্থার প্রধান কার্যালয় “মুক্তি ভবন”-এর সম্মেলন কক্ষে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটার মধ্য দিয়ে এক অনাড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মুক্তি কক্সবাজার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা অধ্যাপক সোমেশ্বর চক্রবর্তী এবং সাবেক সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শিবু লাল দেবদাস ১৯৯১ এর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী সংকটময় সময়ে মুক্তি কক্সবাজারের উত্থান এবং নামকরণের ইতিহাস বর্ণনা করেন। “অশিক্ষা, দারিদ্র, কুসংস্কার, বৈষম্য ও পশ্চাৎপদতার নিরসনকল্পে ও মানুষের সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে মুক্তি কক্সবাজারের জন্ম, তাই কর্মীদের সকল কাজে তা সবসময় প্রতিফলিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।”
কার্যকরী পরিষদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক জেবুননেছা সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন যে, “মুক্তি কক্সবাজারের সবথেকে বড় গুণ তার সততা, সমতা ও স্বচ্ছতার নীতি।” সততার এই মূলমন্ত্র মর্মে ধারণ করে মুক্তির সকল কর্মীকে তাদের স্বীয় কাজে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান তিনি।
সংস্থার প্রধান নির্বাহী বলেন, “মুক্তি কক্সবাজার ‘আমরা, মানুষের জন্য’ নীতিতে বিশ্বাস করে তার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। মানবকল্যাণের যে মহান ব্রত নিয়ে মুক্তি কক্সবাজারের যাত্রা শুরু হয়েছিল, সেই কল্যাণের পথ থেকে মুক্তি কক্সবাজার আজ পর্যন্ত একবিন্দুও বিচ্যুত হয়নি।”
সংস্থার প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকারের সঞ্চালনায় ৩০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট সুজিত চোধুরী, অধ্যাপক অজিত দাশ, সাধারণ এবং নির্বাহী পরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, উপ-প্রধান নির্বাহী, সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ, আইভিওয়াই জাপান থেকে আগত মিস রিয়ে কুণ্ডু ও প্রকল্প সমন্বয়কারীসহ মুক্তি কক্সবাজারের সকলস্তরের কর্মীবৃন্দ।
প্রধান নির্বাহী, মুক্তি কক্সবাজারের সাংস্কৃতিক দলসহ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী সকলকে ধন্যবাদ প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করেন।